আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
উদ্যোক্তাদের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে মিরাজ ইসলাম শাপলার জায়গায় দৃঢ় রয়েছি, অবশ্যই অর্জন করব: হাসনাত আবদুল্লাহ জুলাই সনদ স্বাক্ষরকারীরাও সেই কলম পেতে পারেন পিআর নিয়ে জামায়াতের আন্দোলন রাজনৈতিক প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়: নাহিদ দুই আট নম্বরের ম্যাচে ডি ক্লার্কের ঝড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ভারত জয় হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কাবরেরা আগে চিন্তা করা যেত না এভাবে ফিরে আসব, বললেন শমিত সোম রোহিতের অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া নিয়ে সৌরভ, ‘আমার সঙ্গেও হয়েছে, দ্রাবিড়ের সঙ্গেও হয়েছে’ সেদিনই বুঝেছিলাম, মেয়েদের জন্য পৃথিবী নিরাপদ নয়... ‘টাইগার ৩’–তে সালমানের সহ–অভিনেতা বারিন্দর মারা গেছেন ‘শাকিব খানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি’ বিজয়ের বাড়ি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আমাদের স্নাতকেরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষতা প্রমাণ করেছে ইউএপির ক্লাব যেভাবে আমাদের বদলে দেয় রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেল চালু করেছে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
ad728

চন্দনাইশের পেয়ারায় সম্ভাবনা, বাধা উৎপাদন খরচ ও বাজার ব্যবস্থাপনা

প্রতিবেদকের তথ্য : আবদুল্লাহ আল নোমান
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 30, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 25
ছবির ক্যাপশন : চন্দনাইশের পেয়ারায় সম্ভাবনা বাড়ছে, প্রয়োজন বাজার ও সংরক্ষণ সুবিধা

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বাড়ছে পেয়ারার বাণিজ্যিক চাষ। অনুকূল আবহাওয়া ও মাটির কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পেয়ারা বাগানে ভালো ফলন হচ্ছে। মৌসুমে বাগান থেকে সংগ্রহ করা পেয়ারা স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি চট্টগ্রাম নগরীসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছেন চাষিরা।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ছোট-বড় বাগানে দীর্ঘদিন ধরে পেয়ারা চাষ করে আসছেন কৃষকেরা। অনেকেই অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি পেয়ারা চাষকে আয়ের অন্যতম উৎস হিসেবে নিয়েছেন। স্বাদ ও ঘ্রাণে পরিচিত হওয়ায় মৌসুমে চন্দনাইশের পেয়ারার চাহিদাও থাকে ভালো।
কৃষক আবুল হাসেম বলেন, “পেয়ারা চাষে ফলন ভালো হলে লাভের সম্ভাবনাও থাকে। তবে সার, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি ও পরিচর্যার খরচ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে কৃষকেরা পেয়ারা চাষে আরও আগ্রহী হবেন।”
তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়া, শ্রমিকের মজুরি, সার-কীটনাশকের দাম এবং বাজারদরের ওঠানামা নিয়ে চাষিদের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ। সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পাকা ফল দ্রুত বাজারজাত করতে হয় বলেও জানান তারা।
আরেক কৃষক বলেন, “বাগানে ফলন ভালো হলেও সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় দ্রুত পেয়ারা বিক্রি করতে হয়। অনেক সময় বাজারে দাম কম থাকলেও বাধ্য হয়ে ফল বিক্রি করতে হয়। সরকারি সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত হলে কৃষকেরা আরও লাভবান হতে পারবেন।”
ফল ব্যবসায়ী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, “মৌসুমে বাগান থেকেই বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা পেয়ারা সংগ্রহ করেন। চন্দনাইশের পেয়ারার চাহিদা স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি চট্টগ্রাম নগরীতেও রয়েছে। ভালো মানের পেয়ারা হলে ক্রেতাদের আগ্রহ থাকে বেশি। বাজার ব্যবস্থাপনা ভালো থাকলে এ ব্যবসার পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব।
চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ আযাদ হোসেন বলেন, চন্দনাইশের মাটি ও আবহাওয়া পেয়ারা চাষের জন্য বেশ উপযোগী। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ, সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ করা গেলে ফলন ও গুণগত মান আরও বাড়ানো সম্ভব। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “উন্নত জাতের চারা ব্যবহার, সুষম সার প্রয়োগ, নিরাপদ বালাইনাশক ব্যবহার এবং উৎপাদিত ফলের সঠিক বাজারজাতকরণে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে পেয়ারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে কৃষকদের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
কৃষকদের দাবি, উন্নত জাতের চারা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, আধুনিক চাষাবাদে প্রশিক্ষণ এবং ফল সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হলে চন্দনাইশে পেয়ারা চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে।
চাষিদের প্রত্যাশা, সরকারি সহায়তা ও বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন হলে চন্দনাইশের পেয়ারা স্থানীয় বাজারের গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও আরও বড় পরিসরে বাজার তৈরি করবে। সম্ভাবনাময় এ ফলচাষ হয়ে উঠতে পারে স্থানীয় কৃষি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত।
হেডলাইন পরিবর্তন করে দিন।

প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড
ad728
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728