প্রকাশের তারিখ: Sep 30, 2026
অনলাইন সংবাদপত্র • প্রিন্ট সংস্করণ
khabarpatiya24.com
Website Logo
সংবাদ শিরোনাম প্রিন্টের তারিখ: 30 September 2026
সংবাদ শিরোনাম

শিশুর চিৎকার, রিকশা ধাওয়া করে নারী-পুরুষকে পুলিশের হাতে দিল জনতা

শিশুর চিৎকার, রিকশা ধাওয়া করে নারী-পুরুষকে পুলিশের হাতে দিল জনতা
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক শিশুকে রিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে এক নারী ও এক পুরুষকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে রিকশাটি থামিয়ে তাদের আটক করেন।


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পটিয়া পৌরসভার কাগজীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক দুজন হলেন পটিয়ার কচুয়াই ইউনিয়নের আবুল ফয়েজের ছেলে মো. ফারুক (৪২) এবং কুতুপালং এলাকার জামাল হোসেনের মেয়ে শাহাজাহান বেগম (৪০)। শাহাজাহান বেগম উপজেলার বাদামতল এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন বলে জানা গেছে।


স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাগজীপাড়া এলাকার আশরাফ আলী একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে সালমা ইকরা (৯) দুপুরে বিদ্যালয় ছুটি শেষে বাড়ির দিকে ফিরছিল। এ সময় এক রিকশাচালক ও এক নারী তাকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে রিকশায় তুলে নেন। তবে বাড়ির সামনে না থামিয়ে রিকশাটি অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার সময় শিশুটি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে রিকশাটিকে থামানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে রিকশাসহ ওই দুইজনকে আটক করেন। পরে তাদের পটিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।


শিশুটির বাবা প্রবাসী শাহনেওয়াজ মামুন বলেন, আমার মেয়েকে বাড়ির সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন বের হয়ে আসেন। পরে সবার সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে দেয়া হয়েছে। 


স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। পরে ওই দুইজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।


এদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছেলেধরা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও পুলিশ বলছে, অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।


পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জিয়াউল হক বলেন, ছেলেধরা অভিযোগে দুইজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।