বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে জনসমুদ্রে পরিণত হলো দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া। উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং সর্বস্তরের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল আনন্দ শোভাযাত্রা ও গণসমাবেশে হাজার হাজার নেতাকর্মী রাজপথে নেমে আসেন।
১ সেপ্টেম্বর বিকেলে পটিয়া পৌরসভা কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য র্যালিটি শুরু হয়। রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইন্দ্রপোল চত্বরে এসে এক বিশাল সমাবেশে রূপ নেয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম বলেন
গুপ্ত বাহিনী ও নিষিদ্ধ সংগঠনসমূহ একত্র হয়ে দেশের অগ্রগতি ও স্থায়িত্বের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্তে মেতে উঠেছে।”
বিদ্যমান জ্বালানি সংকট বিএনপি সরকারের কারণে নয়। দেশ থেকে সম্পদ লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়া বিগত সরকারের অপরিণামদর্শী দুর্নীতির কারণেই আজকে জনগণকে এই মাশুল দিতে হচ্ছে।”
দলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মী বর্তমানে ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপিকে তৃণমূল থেকে পুনর্গঠন ও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন
অনুষ্ঠানে দলীয় সমন্বয়হীনতা ও বিলম্বিত পুনর্গঠন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম। তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদাসীনতার দরুণ বিগত দুই বছর ধরে পটিয়ায় বিএনপির কোনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই। এমনকি বিগত জাতীয় নির্বাচনেও জেলা নেতাদের কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে থাকা নেতাকর্মীদের স্বার্থে তিনি সংসদ সদস্য এনামুল হক এনামের কাছে অতি দ্রুত পটিয়া বিএনপির একটি শক্তিশালী ও নতুন কমিটি গঠনের জোরালো আহ্বান জানান।
পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম সওদাগরের সভাপতিত্বে এবং খোরশেদ আলমের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বদরুল খায়ের চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, নুরুল আমিন এমএসসি, গাজী আবু তাহের, মফজল আহমদ চৌধুরী, আলহাজ্ব আবুল ফয়েজসহ অন্য নেতারা।
এছাড়াও সমাবেশে আরও অংশগ্রহণ করেন পৌরসভা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদুল আলম, হাজী আবুল কাশেম, আবদুল মাবুদ; জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাহজাহান চৌধুরী; জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মীর জাকের আহমেদ; জেলা জাসাসের সদস্য সচিব নাছির উদ্দীন; বিএনপি নেতা মোর্শেদুল শফি হিরু, আলহাজ্ব ইসমাইল হোসেন, জাহেদুল হক; উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইয়াসিন আরাফাত ইয়াসিন, সদস্য সচিব অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু; পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক আবছার উদ্দীন সোহেল, সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিপন; উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক ওবায়দুল হক রিকু, সাবেক সদস্য সচিব মোহাম্মদ জাহেদ; পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক মীর সাইফুর রহমান, সাবেক সদস্য সচিব আবদুল কাদের; উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মাহবুল আলম পারভেজ, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান; পৌরসভা কৃষক দলের আহ্বায়ক বুলবুল আহমেদ নান্নু, সদস্য সচিব আলমগীর আলম; শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নোমান চৌধুরী লিটন; উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক ক্বারী মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা ইব্রাহিম; উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি সাজেদা ইয়াসমিন রেখা, সাধারণ সম্পাদক হালিমা বেগম; পৌরসভা মহিলা দলের সভাপতি আয়শা আক্তার রিনা, সাধারণ সম্পাদক জয়নাব বেগম; জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম হোসেন নয়ন, শাহাদাত হোসেন, রেজাউল করিম মিজানসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড